Author name: মজিদ মাহমুদ

মজিদ মাহমুদ। জন্ম ১৬ এপ্রিল ১৯৬৬, পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার চরগড়গড়ি গ্রামে। এম.এ (বাংলা), ১৯৮৯, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। লেখালেখি ঠিক রেখে কখনো সাংবাদিকতা, কখনো শিক্ষকতা; আর পাশাপাশি সমাজসেবা। প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বই: কবিতা— মাহফুজামঙ্গল (১৯৮৯), গোষ্ঠের দিকে (১৯৯৬), বল উপখ্যান (২০০০), আপেল কাহিনী (২০০১), ধাত্রী ক্লিনিকের জন্ম (২০০৫), নির্বাচিত কবিতা (২০০৭), কাঁটাচামচ নির্বাচিত কবিতা (২০০৯), সিংহ ও গর্দভের কবিতা (২০১০), শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০১১), দেওয়ান-ই-মজিদ (২০১১), গ্রামকুট (২০১৫), কবিতামালা (২০১৫)। প্রবন্ধ ও গবেষণা— নজরুল তৃতীয় বিশ্বের মুখপাত্র (১৯৯৭), কেন কবি কেন কবি নয় (২০০১), ভাষার আধিপত্য ও বিবিধ প্রবন্ধ (২০০৫), নজরুলের মানুষধর্ম (২০০৫), উত্তর-উপনিবেশ সাহিত্য ও অন্যান্য (২০০৯), রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণ-সাহিত্য (২০১১), সাহিত্যচিন্তা ও বিকল্পভাবনা (২০১১), রবীন্দ্রনাথ ও ভারতবর্ষ (২০১৩), নির্বাচিত প্রবন্ধ (২০১৪), সন্তকবীর শতদোঁহা ও রবীন্দ্রনাথ (২০১৫), ক্ষণচিন্তা (২০১৬)। গল্প-উপন্যাস— মাকড়সা ও রজনীগন্ধা (১৯৮৬), সম্পর্ক (২০১৯), মেমোরিয়াল ক্লাব (২০২০), তুমি শুনিতে চেয়ো না (২০২৪)। শিশু সাহিত্য— বৌটুবানী ফুলের দেশে (১৯৮৫), বাংলাদেশের মুখ (২০০৭)।

নজরুল-জীবনানন্দ মানস সাযুজ্য

নজরুলোত্তর বাংলাকাব্যে মহাকাল তার করাল ছোবল থেকে যে কাব্য নির্মাতাকে সংরক্ষণ করেছে তাঁর নাম জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪)। নিস্তরঙ্গ বাংলা সাহিত্যে ঘটনা সংঘটনে দক্ষ এই দুই মহান কবি একই বছরে জন্মগ্রহণ করলেও একজন হয়েছেন অন্যজনের উত্তর-সাধক। কাজী নজরুল ইসলাম এবং জীবনানন্দ দাশ উভয়েরই জন্ম-সাল ১৮৯৯। কিন্তু কবি হিসাবে নজরুল ইসলাম জীবনানন্দ দাশের এক দশক পূর্বে নিজের

নজরুল-জীবনানন্দ মানস সাযুজ্য Read More »

নজরুলের স্বদেশ ভাবনা

নজরুলের স্বদেশ ভাবনা বা প্রেম কেবলমাত্র বাংলাকে নিয়েই গড়ে ওঠেনি, সমগ্রভারতবর্ষই তখন তাঁর স্বদেশপ্রেমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছিল। ‘বিদ্রোহী’ কবিতা রচনার মধ্য দিয়ে তিনি গোটা ভারতবর্ষের মুক্তির এক দুর্বার আন্দোলনের পথিকৃত হয়ে উঠলেন। গোটা ভারতবর্ষে ইংরেজ অত্যাচার এবং আধিপত্যবাদকে ‘ভগবান’ সাজিয়ে তার বুকে পদচিহ্ন এঁকে দেবার এক অদম্য এবং অসাধারণ দুঃসাহস তাঁর পূর্বে অন্য কোন

নজরুলের স্বদেশ ভাবনা Read More »

নজরুলের বীররসের গান : বাঙালির বীর হয়ে ওঠার মন্ত্র

বাঙালি জাতির আলসেপনা, ভীরুতাপপ, উদ্যোগহীনতা, দাস্যসুখে হাস্যমুখ স্বভাব দেখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গভীর কষ্ট পেয়েছিলেন এবং নিবিড় দুঃখভরা মনে লিখেছেলেন “দুরন্ত আশা” শিরোনামের একটি কবিতা যার কয়েকটি পঙক্তি এমন: “ ভদ্র মোরা, শান্ত বড়ো,/ পোয-মানা এ প্রাণ/ বোতাম-আঁটা জামার নীচে/  শান্তিতে শয়ান।/ দেখা হলেই মিষ্ট অতি, /মুখের ভাব শিষ্ট অতি,/ অলস দেহ ক্লিষ্টগতি, / গৃহের প্রতি

নজরুলের বীররসের গান : বাঙালির বীর হয়ে ওঠার মন্ত্র Read More »

রুদ্ধ নজরুল! নিষিদ্ধ নজরুল!

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু বলেছিলেন, ‘কারাগারে আমরা অনেকে যাই, কিন্তু সাহিত্যের মধ্যে সেই জেল জীবনের প্রভাব কমই দেখতে পাই, কিন্তু নজরুল যে জেলে গিয়েছিলেন, তার প্রমাণ তাঁর লেখার মধ্যেই অনেক স্থানে পাওয়া যায়। এতে বোঝা যায় যে তিনি একটি জ্যান্ত মানুষ।’ হ্যাঁ, জীবনের একটা সময় পর্যন্ত নজরুল প্রচন্ড রকমের জ্যান্ত মানুষ ছিলেন। এটা তাঁর লেখা পড়লেই

রুদ্ধ নজরুল! নিষিদ্ধ নজরুল! Read More »

‘বিদ্রোহী’ এবং নজরুল কাব্য সাহিত্যের ভাবধারা

’বিদ্রোহী’ বাংলা ভাষায় রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবিতা। এই কবিতার দুকূলপ্লাবি জনপ্রিয়তার তোড়ে কবির নামের সাথেই চিরকালের জন্য লেপ্টে গেছে তাঁর কবিতার নামও। বিশ্ব সাহিত্যে এর কোন তুলনা নেই। আর কোনো কবির নামের সাথে কবিতার নাম জুড়ে দেওয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে বাংলা ভাষায় রচিত আরো কিছু বিখ্যাত কবিতার নাম স্মরণ করা যেতে পারে। এর

‘বিদ্রোহী’ এবং নজরুল কাব্য সাহিত্যের ভাবধারা Read More »

অঙ্গার

আত্মাহুতি মাটির চুলা বানিয়ে কুয়াশা জ্বাল দিচ্ছে বউ লাকড়ি ফুরিয়ে গেলে কেটেকুটে প্রস্তুত রাখে নিজেকে… যাত্রা তারা খসে পড়লে হলুদ ক্ষেতে জন্ম হয় হলুদ আকাশের মাটির দরজা খুলে পাখিদের যাত্রা…. অশ্লীল চা পরিবেশন শেষে কাপ ফিরে যাচ্ছে শোকেসে অশ্লীলতার অভিযোগে শুরু হচ্ছে অন্যান্য কাপের মিছিল। অঙ্গার চেরাগে ফুল ফুটছে। চারপাশে দোল খাচ্ছে বিবাহ দু’টি ফুল

অঙ্গার Read More »

রক্ত রক্ত খেলা

কোনো এক ছ্যামড়িকে তুমি চলন্ত রেলের কামরায়— থায় দাঁড়িয়ে কচ্ছো রাজ্যের কত কথা সেই কবেকার হবে— অতীতস্মৃতি; হাতড়ে জীবনের গান ভোরবেলা একটি কাক, উড়ে বসে ঘরের হাতনেতে দেখতে দেখতে পাড়ার ছাওয়াল-পাল ছুটে চলে রেলের দিকে— মা তখনও হারিকেন আর কুপি জ্বালায়ে রাখে ঝড় হবে ভেবে আমিও মৃত মানুষের পাশে রেখে আসি কত চাল আর ধূপকাঠি

রক্ত রক্ত খেলা Read More »

‘বসুমাতা থির’ নিয়ে এক চিলতে অনুভব

বসুমাতা থির, লেখক : গীতা দাস, ধরন : উপন্যাস, প্রচ্ছদ : প্রদ্যোত দাস, প্রকাশ : ২০২৫, প্রকাশক : প্রতিকথা বই পাঠে প্রধানত আমি ভালোলাগার মাত্রায় আপ্লুত হই। আর নিজের সাথে নিজেই এই ভালোলাগাটা উপভোগ করি। কখনো দু’কলম লিখে অনুভূতি প্রকাশ আর হয়ে ওঠে না। কিন্তু গীতা দাসের উপন্যাস ‘বসুমাতা থির’ পাঠে ভিন্নতায় ভাসলাম। উপন্যাসটির নামকরণে

‘বসুমাতা থির’ নিয়ে এক চিলতে অনুভব Read More »

প্রাচ্যশিল্পের স্বরূপ সন্ধান

বিশ্ব-শিল্পকলায় স্পষ্টত শিল্পের দুটি ধারা পরিলক্ষিত হয়। প্রাচ্য ও প্রতীচ্য। পাশ্চাত্যের ঐতিহাসিক শিল্পবেত্তারা অনেকে ‘প্রাচ্য’ বা ‘ওরিয়েন্টাল’ টার্মটিকে ব্যাঙ্গাত্মক অর্থে ব্যবহার করতেন। তাঁরা প্রাচ্যশিল্পকে বর্বর কুৎসিত, অদ্ভুত (grotesque), হাস্যকর, (ludicrous) কৌতুকপ্রদ (comic) বলে আখ্যায়িত করেছেন। রেনেসাঁসের সময় ভাবা হত, যা সুষ্ঠ নয়, যা স্বাভাবিক নয় তা প্রাচ্যদেশীয়। রেনেসাঁস শিল্পাদর্শে কোনো ক্রটি লক্ষ্য করলে শিল্পী ও

প্রাচ্যশিল্পের স্বরূপ সন্ধান Read More »

নারী : শিল্প ও সমাজতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ

নারী ও পুরুষের মিলিত প্রবাহে জীবন বহমান। চিরকাল এই সত্যের মধ্যে বাস করেও মানুষ কেন জানি বুঝে উঠতে পারে না। জীবনের গল্পে নারী ও পুরুষের রয়েছে সমান ভূমিকা। পৃথিবীতে সকলকে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়। এই লড়াই ঠিক থাকার, ভালো থাকার, আনন্দে থাকার। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর সংবেদনশীল মনোভাব জীবনকে ও বেঁচে থাকাকে অর্থবহ করে তুলতে

নারী : শিল্প ও সমাজতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ Read More »