Author name: এ. টি. এম. মোস্তফা কামাল

এ. টি. এম. মোস্তফা কামাল, জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৬৬। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া এম. এ, এল. এল. বি। পৈতিৃক নিবাস নোয়াখালী জেলায়। চাকুরিসূত্রে দেশের নানা প্রান্তে বসবাস করেছেন। এখন ঢাকায় বাস করছেন, সেটাও চাকুরিসূত্রেই। এখন অবসরময় জীবন। কবিতার বই- বাঙ্গালা রুবাইয়াৎ (২০০৯, ২০২১)। হৃদয়পুরে দেশান্তরী (২০১৪) সুখ (২০১৬)। ছড়াগ্রন্থ- বরযাত্রা (২০১৬)। প্রবন্ধ- মহামারী: সাহিত্য ও সংস্কতিতে প্রভাব (২০২৩), সংস্কৃতির নানাদিক (২০২৫)।

‘বিদ্রোহী’ এবং নজরুল কাব্য সাহিত্যের ভাবধারা

’বিদ্রোহী’ বাংলা ভাষায় রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবিতা। এই কবিতার দুকূলপ্লাবি জনপ্রিয়তার তোড়ে কবির নামের সাথেই চিরকালের জন্য লেপ্টে গেছে তাঁর কবিতার নামও। বিশ্ব সাহিত্যে এর কোন তুলনা নেই। আর কোনো কবির নামের সাথে কবিতার নাম জুড়ে দেওয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে বাংলা ভাষায় রচিত আরো কিছু বিখ্যাত কবিতার নাম স্মরণ করা যেতে পারে। এর

‘বিদ্রোহী’ এবং নজরুল কাব্য সাহিত্যের ভাবধারা Read More »

অঙ্গার

আত্মাহুতি মাটির চুলা বানিয়ে কুয়াশা জ্বাল দিচ্ছে বউ লাকড়ি ফুরিয়ে গেলে কেটেকুটে প্রস্তুত রাখে নিজেকে… যাত্রা তারা খসে পড়লে হলুদ ক্ষেতে জন্ম হয় হলুদ আকাশের মাটির দরজা খুলে পাখিদের যাত্রা…. অশ্লীল চা পরিবেশন শেষে কাপ ফিরে যাচ্ছে শোকেসে অশ্লীলতার অভিযোগে শুরু হচ্ছে অন্যান্য কাপের মিছিল। অঙ্গার চেরাগে ফুল ফুটছে। চারপাশে দোল খাচ্ছে বিবাহ দু’টি ফুল

অঙ্গার Read More »

রক্ত রক্ত খেলা

কোনো এক ছ্যামড়িকে তুমি চলন্ত রেলের কামরায়— থায় দাঁড়িয়ে কচ্ছো রাজ্যের কত কথা সেই কবেকার হবে— অতীতস্মৃতি; হাতড়ে জীবনের গান ভোরবেলা একটি কাক, উড়ে বসে ঘরের হাতনেতে দেখতে দেখতে পাড়ার ছাওয়াল-পাল ছুটে চলে রেলের দিকে— মা তখনও হারিকেন আর কুপি জ্বালায়ে রাখে ঝড় হবে ভেবে আমিও মৃত মানুষের পাশে রেখে আসি কত চাল আর ধূপকাঠি

রক্ত রক্ত খেলা Read More »

‘বসুমাতা থির’ নিয়ে এক চিলতে অনুভব

বসুমাতা থির, লেখক : গীতা দাস, ধরন : উপন্যাস, প্রচ্ছদ : প্রদ্যোত দাস, প্রকাশ : ২০২৫, প্রকাশক : প্রতিকথা বই পাঠে প্রধানত আমি ভালোলাগার মাত্রায় আপ্লুত হই। আর নিজের সাথে নিজেই এই ভালোলাগাটা উপভোগ করি। কখনো দু’কলম লিখে অনুভূতি প্রকাশ আর হয়ে ওঠে না। কিন্তু গীতা দাসের উপন্যাস ‘বসুমাতা থির’ পাঠে ভিন্নতায় ভাসলাম। উপন্যাসটির নামকরণে

‘বসুমাতা থির’ নিয়ে এক চিলতে অনুভব Read More »

প্রাচ্যশিল্পের স্বরূপ সন্ধান

বিশ্ব-শিল্পকলায় স্পষ্টত শিল্পের দুটি ধারা পরিলক্ষিত হয়। প্রাচ্য ও প্রতীচ্য। পাশ্চাত্যের ঐতিহাসিক শিল্পবেত্তারা অনেকে ‘প্রাচ্য’ বা ‘ওরিয়েন্টাল’ টার্মটিকে ব্যাঙ্গাত্মক অর্থে ব্যবহার করতেন। তাঁরা প্রাচ্যশিল্পকে বর্বর কুৎসিত, অদ্ভুত (grotesque), হাস্যকর, (ludicrous) কৌতুকপ্রদ (comic) বলে আখ্যায়িত করেছেন। রেনেসাঁসের সময় ভাবা হত, যা সুষ্ঠ নয়, যা স্বাভাবিক নয় তা প্রাচ্যদেশীয়। রেনেসাঁস শিল্পাদর্শে কোনো ক্রটি লক্ষ্য করলে শিল্পী ও

প্রাচ্যশিল্পের স্বরূপ সন্ধান Read More »

নারী : শিল্প ও সমাজতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ

নারী ও পুরুষের মিলিত প্রবাহে জীবন বহমান। চিরকাল এই সত্যের মধ্যে বাস করেও মানুষ কেন জানি বুঝে উঠতে পারে না। জীবনের গল্পে নারী ও পুরুষের রয়েছে সমান ভূমিকা। পৃথিবীতে সকলকে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়। এই লড়াই ঠিক থাকার, ভালো থাকার, আনন্দে থাকার। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর সংবেদনশীল মনোভাব জীবনকে ও বেঁচে থাকাকে অর্থবহ করে তুলতে

নারী : শিল্প ও সমাজতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ Read More »

জোড়া

সম্মুখে সমুদ্রের গর্জন—বালির বালিশ বানিয়ে নিলয় আর রুবি সমুদ্রের ঢালু তটে পাশাপাশি শুয়ে আছে। বহুক্ষণ দু’জন দুজনকে কি বলবে বুঝতে পারছে না। আকাশের তারা তাদের বড় বড় চোখের মণিতে জ্বলজ্বল করে উঠল; দু’জনে আরও গম্ভীর হল। শত শত নক্ষত্র টাঙানো মহাকাশ; বিশাল ফেনাময়ী সমুদ্রের ঢেউ যেন তাদের গায়ে চাদর পরাতে পরাতেও এগিয়ে আসছে না। নক্ষত্রগুলো

জোড়া Read More »

মাতালগুচ্ছ

০১ বিষণ্ণ ধারায় পৃথিবী কাঁদছে! দ্যাখো, আমার প্রেমিকাদের মৃত আত্মারা উড়ছে বাতাসে— তাদের চোখে উজ্জ্বল শোক, কাজল পুড়ে যাচ্ছে আহা বিরহে! আত্মারা পুড়ে, মরে যাচ্ছে আমার চোখ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে নিঃশ্বাস। শরীরের সমস্ত লোম ভয়ে কাঁপছে, আমার কণ্ঠের ভিতরে আঠালো আতঙ্ক কফের মতো জমে জমে যাচ্ছে। দ্যাখো বুকের ভিতরে বিষাক্ত সাপ ফোঁস ফোঁস করছে কামরাচ্ছে

মাতালগুচ্ছ Read More »

দুধের গজল

দুধের গজল নিস্তব্ধ গভীর রাত সীমাহীন নিরব জিকির, স্থানান্তর হয় নখের টোকায় তসবীর গুটিসংখ্যা জানান দেয় নির্দিষ্ট জপের বিড়ালের জিভের ডগায় চটকায় দুধের গজল, বাতেনী কৌশল মতো তসবীর দানা একে একে হয়ে যায় পার যতবার ইচ্ছে জাগে মনে, ততবার থাকে শুধু মায়া আর বরকতময় আয়ুমাখা মুখোমুখি। কালেমা মানব মেঘে আর হাওয়ায় সলজ্জ সংলাপ মনে মনে

দুধের গজল Read More »

পাতাঝরাদিনে

ফিনিক্স আয়নায় তাকিয়ে দেখি কিছু ছাই উড়ছে ফিরছে শরীরে ওদের আস্তর সাবানের ফেনার মতো সামনে পাথুরে দেয়াল আমার তো দেয়ালে পিঠ ডানে বামে আধখোলা দরোজা জানালা আয়নায় তাকিয়ে দেখি আমার যে চোখ নাই কান নাই মুখ নাই দেখাবার বলবার তোমাদের পানে চাহি নেই কোনো উৎপাত পারদের পিঠে লেপা বেলজিকা কাচ বলে পুড়ে গেছ তুমি আজ

পাতাঝরাদিনে Read More »