Author name: শিল্পী নাজনীন

শিল্পী নাজনীন। জন্ম ১৪ জুলাই ১৯৮১, কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানায়। শৈশব, কৈশোর কেটেছে কুমারখালীর গোসাইডাঙ্গী নামক গ্রামের জল-কাদায়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে  অনার্স ও মাস্টার্স। পেশা  শিক্ষকতা।  দেশের অধিকাংশ জাতীয় দৈনিক এবং দেশ-বিদেশের অনলাইন ম্যাগাজিনগুলোতে অনেক গল্প প্রকাশিত হয়েছে ইতোমধ্যে। প্রথম উপন‍্যাস 'ছিন্নডানার ফড়িঙ' প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে। ২০১৭, ২০১৮ ও ২০২২ সালে প্রকাশিত 'আদম গন্দম ও অন‍্যান‍্য',  'বিভ্রম' এবং 'মায়াফুল ও সাপের গল্প' নামক গ্রন্থ  তিনটি ছোটগল্পের। এছাড়া ২০১৮ তে প্রকাশিত হয় 'তোতন ও ফড়িঙরাজা' নামক একটি শিশুতোষ গল্পের বই।  দ্বিতীয় উপন্যাস 'উলটপুরাণ' প্রকাশিত হয়েছে বইমেলা ২০২৩-এ।

চোরাবালি  

১ ডিমপাড়া তরতাজা মুরগিটা মোরগ হয়ে উঠল সহসা। এমন আজব ঘটনা বাপের জন্মে শোনেনি মজিলা, চোখে দেখা তো দূরস্ত। কিন্তু চোখের সামনে ঘটা ঘটনাটাকে সে অবিশ্বাসই-বা করে কী করে? ঘটনাটা এমনই আকস্মিক আর অভাবনীয় যে কী করবে ভেবে পায় না বেচারা। মরচে ধরা খাঁচাটার দিকে বিষণ্ণ, হতাশ চোখে তাকিয়ে নিজের ভাগ্যকেই শাপ-শাপান্ত করে খানিক স্বস্তি

চোরাবালি   Read More »

দলিত আত্মার প্রেম

সকলের গল্প আমাদের সকলের এক একটা গল্প ছিল গল্পগুলোর শুরু ছিল শেষ ছিল না —এর গল্প থেকে ওর গল্প চক্রাকারে ঘুরতে লাগল দিন শেষে অসীম সেই গল্পগুলোর পথরেখা মিলে গেল যার যার জীবনের পথে দলিত আত্মার প্রেম কে জানে আমার এই কর্মফল কী অলুক্ষণে এনেছিল ডেকে মৃতের নিঃশ্বাস বগলদাবা করে নিয়ে তোমার হাত ছুটে গেছি

দলিত আত্মার প্রেম Read More »

রাষ্ট্র বনাম মেমোরিয়াল ক্লাব

মজিদ মাহমুদ সর্বাধিক একজন কবি বা গবেষক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি যে একজন উচুমানের কথাসাহিত্যিক একথা বলতে দ্বিধা নেই—কেননা সম্প্রতি পড়েছি লেখকের ‘মেমোরিয়াল ক্লাব’ নামের উপন্যাস। ‘মেমোরিয়াল ক্লাব’ উপন্যাসটি একটিমাত্র ঘটনাকে কেন্দ্র করে মনোবিশ্লেষণী পন্থায় রচিত হয়েছে। কিন্তু একে একটি ঘটনা বলতে পারি না। লেখক এখানে একের মধ্যে একাধিক ঘটনাকে অবতারণ করেছেন। যা আমাদের চৈতন্যগত।

রাষ্ট্র বনাম মেমোরিয়াল ক্লাব Read More »

আফ্রিকান ভাষা আর আফ্রিকান সাহিত্য

আফ্রিকান সাহিত্য বলতে সেই কাজগুলোকেই বোঝানো উচিত, যা ৫৪টি স্বতন্ত্র জাতির সমন্বয়ে গঠিত একটি মহাদেশের বৈচিত্র্যকে ধারণ করে, প্রতিটির ইতিহাস, সংস্কৃতি, উপজাতি ও ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ আধার হয়ে ভবিষ্যতের নাগরিকদের জন্য অপেক্ষমাণ থাকে। এটা হওয়া উচিত মৌখিক এবং লিখিত আকারে বিস্তৃত বর্ণনাসহ একটি অমোঘ শিল্পসম্ভার। আফ্রিকান সাহিত্যের আলোচনায় দীর্ঘকাল ধরে একটা পরস্পরবিরোধী চিন্তা-ভাবনা সক্রিয় থেকে লেখক-শিল্পী-পণ্ডিত,

আফ্রিকান ভাষা আর আফ্রিকান সাহিত্য Read More »

সংগীতে দ্রোহ, প্রেম ও জীবনবোধ

জীবনমুখী বাংলা গানের ইতিহাস সমাজ-সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে এসেছে। মানুষ যত বেশি জীবনকে জেনেছে, যত বেশি অধিকার সচেতন হয়েছে তত বেশি জীবনকে নিয়ে গান রচনা করেছে। জীবনের ভালো-মন্দ, জীবনবোধ, বঞ্চনা, দ্রোহ, সংগ্রাম, ক্রোধ, প্রেম-বিরহ, অসাম্য, দরিদ্রতা, পরিবেশ, প্রতিবেশ প্রভৃতিকে উপজীব্য করে মানুষ গীত রচনা করেছে। গেয়েছে। গানে গানে, সুরে সুরে সে তার জীবনকে উপভোগ ও

সংগীতে দ্রোহ, প্রেম ও জীবনবোধ Read More »

হিমারতি

একটা জ্বলন্ত মোমবাতি দিয়ে তো কত কিছুই করা যায়! চারপাশে ছড়ানো নানারকম আঁধার কুড়িয়ে-বাড়িয়ে সংগ্রহ করার জন্য একশো ঊনত্রিশটা ঝাড়বাতি জ্বালিয়ে দেওয়া যায়। অতিকায় একটা রাসায়নিক কারখানা জ্বালিয়ে ফাটিয়ে দেওয়া যায়। আমাদের জন্মদিন ঘিরে কেকের গোধূলিহাহাকার ঘিরে মানবজনমের অর্থহীনতা ঘিরে কিংবা আমাদের ফালতু রাষ্ট্রীয় ভালোবাসাবাসির সাক্ষ্য দেওয়া অতি ক্ষণচারী আরেকটা বাটারফ্লাই ইফেক্ট জ্বালিয়ে দেয় কেউ

হিমারতি Read More »

বোবা মানুষের রূপকথা

বোবা মানুষের রূপকথা বোবা মানুষের ভিড়ে কিছু কিছু মুখ ভেসে ওঠে জল আয়নায় যেরকম সূর্য ফোটে সেরকমই মুখশ্রী ডুবে আছে সবুজ মিনারে সে মুখগুলো হয়তো দেখছে তোমাকে সেই রূপকথা আর ফুরায় না আমরা গোপনে তৈরি করি নৌঘাট শিশুদের হাসির মতো গোধূলি বন্দর বুনোফুলের চোখে ফোটে জোনাকতরী জলের তলে গড়ে উঠছে আঁকাবাঁকা বনপথ উদ্বাস্তু পাখিদের মনকলোনী

বোবা মানুষের রূপকথা Read More »

তোমার গন্তব্যে

রুপসা দেখা হবে আকাশ। আবার তোমার সাথে, সন্ধ্যা পেরিয়ে রাতের তারার সাথে, সূর্যোদয়ে আবার ফিরে আসা সূর্যাস্তে মাটির মায়াকে সন্ধি করে, সচেতন বাতাসের গাঢ় চুম্বনে, শেষ বিদায়ের পূর্বক্ষণে, দণ্ডায়মান সময়ের শেকড়ে, এ হাতের ইশারায় জানিয়ে দেই, জীবনের সৌন্দর্য। বিলিয়ে দেই, ফিরে আসা মানুষের হাত, বৃক্ষ হয়ে ফিরিয়ে দেই, রুপসার রূপে মুগ্ধ পথিকের ছায়া। গড়ে তোলে

তোমার গন্তব্যে Read More »

গাজার জন্য শোকগাথা ও অন্যান্য কবিতা

জেরুজালেম অন্ধকারে ছিল যখন আমেরিকা য়ুরোপ ভারতভূমির কথা জানত না বেশি লোক জানত না কেউ- আমরা কখন সভ্য হলেম তখনো ছিল- জেরুজালেম! জেরুজালেম! মুসাকে যেহেতু দিলেন প্রভু অঙ্গীকার থাকবে এখানে সন্ততি আর সঙ্গী তার তারাই হয়েছে ইহুদি নাসারা আর মোস্লেম এখানে বসত গড়েছে সবে জেরুজালেম! যারা এখানে রক্ত ঝরায় রাত্রি দিন সভ্যতাকে রেখেছে যারা নিজ

গাজার জন্য শোকগাথা ও অন্যান্য কবিতা Read More »