Author name: ইয়া আমিন আজাদ

ইয়া আমিন আজাদ। জন্ম ১৯৭৭ সালের ১৬ এপ্রিল বগুড়া সদরে। সরকারি আজিজুল হক কলেজ হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী-সহ ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স কমপ্লিট করেছেন। বর্তমানে বগুড়ার একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত অবস্থায় আছেন। কবিতা লেখা, বই পড়া ও মানুষকে অবলোকন করা তার ভালো লাগে।

অভাবের মুদ্রা

নির্ঝরতা মেহগনি বৃক্ষে কচিপাতার সমারোহ, আর পথে-বিপথে শুকনো পাতারা যেন ব্রুনাই নদীর ভাসমান বন্দর সূর্যাস্তের এনামেল পেইন্ট বার্জার করে রেখেছে আকাশ। গোরস্থানে এলে নির্ঝরতা, পাখির কাশিদা, কাঠবিড়ালির খুনশুটির মাঝে, বাষ্পীয় চোখের জল স্ক্যানিং করে প্রিয় মানুষের মুখ আতাফল বৃষ্টির সাইবার গেম আকাশের পাড়ায় ঘাটে বাঁধা সিড়িগুলো যেন একে একে গিলে ফেলছে কেউ সময় অসময়ে বসে

অভাবের মুদ্রা Read More »

হেমন্তের এই হাওয়ায়

একদিন একদিন ভুলে যাবে; কিছুতেই মনে আসবে না আমার নামধাম; জায়নামাজের মতো ভাঁজ করে গুছিয়ে রাখবে কালঘরে; স্মৃতির মিউজিয়ামে। একদিন নৈঃশব্দ্য ঝড় এলে আমার সমস্ত কবিতা খুলে খুলে অসংখ্য শব্দ, অসংখ্য অক্ষর ঝরে যাবে অনাদরে; পাখিদের বনে। একদিন আমার সমস্ত বিষণ্নতা উড়ে যাবে মেঘদেশে; মন খারাপের মেঘে বৃষ্টি হলে তুমি বলো কান্না। তালাবদ্ধ ঘরকে ডেকো

হেমন্তের এই হাওয়ায় Read More »

নারীর সামাজিক ও পারিবারিক প্রেক্ষাপট

গৃহপালিত স্বামী, লেখক : গীতা দাস, ধরন : গল্প, প্রকাশ : ২০২৪, প্রকাশক : প্রতিকথা বইয়ের নামকরণের মধ্য দিয়ে বইটির লেখার বিষয়বস্তুর আঁচ পাওয়া যায়। লেখক গীতা দাস জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণি নির্বিশেষে একটা নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে গল্পগুলো লেখার চেষ্টা করেছেন। তাই তিনি গৃহিনীর বিপরীতে ‘হাউজ হাজব্যান্ড’ এবং ‘গৃহপালিত স্বামী’ শব্দযুগল ব্যবহার করেছেন। বাংলাদেশের অধিকাংশ

নারীর সামাজিক ও পারিবারিক প্রেক্ষাপট Read More »

চরনিকেতন বৈশাখী সাহিত্য উৎসব ১৪৩২

চরনিকেতন দিলো ডাক, এসো হে বৈশাখ চরনিকেত বৈশাখী সাহিত্য উৎসব ১৪৩২। ১৪-১৬ এপ্রিল ২০২৫ চরনিকেতন, ওসাকা, চর গড়গড়ি, ইশ্বরদী, পাবনা সম্পাদকashramsanglap.com

চরনিকেতন বৈশাখী সাহিত্য উৎসব ১৪৩২ Read More »

তুমি শুনিতে চেয়ো না : ১০

পর্ব-১০ এটি ছিল আমার নির্বাক জীবনে কোলকাতা পর্বের শেষ উল্লেখযোগ্য ঘটনা। অর্ধশত বছর আগে অখণ্ড বাংলার রাজধানীতে আমার কর্মময় জীবনের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল—মাত্র দুই দশকের মধ্যে এক অজানা কারণে সেই উত্তুঙ্গ সৃষ্টিশীলতা নির্বাপিত হয়ে গেলেও প্রাণবায়ু এখনো ক্ষীণ উজ্জীবিত। আমার সত্তরতম জন্মবার্ষিকীর উৎসবকে কেন্দ্র করে এবারই প্রথম পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার রবীন্দ্রসদনে আমার সংবর্ধনার আয়োজন

তুমি শুনিতে চেয়ো না : ১০ Read More »

তুমি শুনিতে চেয়ো না : ৯

পর্ব-৯ লন্ডন ও ভিয়েনা থেকে ফিরে আসার পরে আমার পরিবার নিশ্চিত যে, আমি আর কখনো কথা বলতে পারব না, গান কবিতা লিখতে পারব না, যতদিন বাঁচি এই পঙ্গুত্ব নিয়ে আমাকে থাকতে হবে। সবাই কিছুটা নির্ভার হয়ে সংসার-কর্মে মন দিতে শুরু করেছে। শাশুড়ি নেই, প্রমীলা পঙ্গুত্ব নিয়েই বেশ শক্তভাবে সংসারের হাল ধরেছে। সানি ও নিনি এখন

তুমি শুনিতে চেয়ো না : ৯ Read More »

তুমি শুনিতে চেয়ো না : ৮

পর্ব-৮ আজ ৮ জুন ১৯৫৩ সাল, আমি লন্ডনে এসে পৌঁছালাম। সুস্থ অবস্থায় লন্ডনে আসতে পারি নি। বেড়াতে আসারও সামর্থ্য ছিল না—লেখাপড়ার জন্য তো নয়ই। আমি যাদের সঙ্গে ওঠাবসা করেছি, যাদের কর্মে ও দর্শনে আকৃষ্ট ছিলাম, তাদের অনেকে লন্ডনের স্কুলে পড়েছিল। এমনকি রবীন্দ্রনাথ অরবিন্দ—আমার গুরু হলেও তাদেরও প্রধান পাঠ ছিল এই লন্ডনে। গান্ধী, জিন্নাহ, নেহেরু এই

তুমি শুনিতে চেয়ো না : ৮ Read More »

তুমি শুনিতে চেয়ো না : ৭

পর্ব-৭ রহস্যজনকভাবে ভয়ংকর ‘দীর্ঘ ছুরির সপ্তাহ’ পরের এক বছরের মাথায়, ঠিক একই দিনে এই ঘটনা ঘটে। মুসলমানদের জন্য একটি আলাদা দেশ হওয়ায় ভারত থেকে অনেকে পাকিস্তানে চলে গেছে। জসীম, নাহার, মঈনউদ্দীন, বন্দে আলী, গোলাম মোস্তফা, কাদির, আব্বাস, ফিরোজা, সওগাতের নাসিরউদ্দিন এখন পাকিস্তানে থাকে। এছাড়া এ. কে. ফজলুল হক, সোহরাওয়ার্দি, নাজিমউদ্দিন, মনসুর, বাহার—যাদের প্রত্যক্ষ প্রচেষ্টায় পাকিস্তান

তুমি শুনিতে চেয়ো না : ৭ Read More »

 তুমি শুনিতে চেয়ো না : ৬

পর্ব-৬ ১৯৪৬ সাল। আমার শাশুড়ি গিরিবালা দেবী ‘কোলকাতা গ্রেট কিলিং’ বা ‘দীর্ঘ ছুরি সপ্তাহ’র মধ্যে চিরদিনের জন্য নিরুদ্দেশ হয়ে গেল। বলা চলে—এর মধ্য দিয়ে আমার সংসার জীবনের চূড়ান্ত নাটিকার যবনিকাপাত ঘটল। আমার জীবনীকাররা গিরিবালা দেবীর ভূমিকাকে খুব গুরুত্ব দিয়ে অঙ্কন করেন নি। সংসারে নারীর যে নিভৃত ত্যাগ—গিরিবালা দেবী আমার সংসারে সেই না-দেখা জায়গাটি অধিকার করেছিল।

 তুমি শুনিতে চেয়ো না : ৬ Read More »