Author name: রিজভী জামান

রিজভী জামান, প্রাবন্ধিক।

আলবেয়ার কাম্যু : মানবজীবনের অন্তঃসারশূন্যতা ও অস্তিত্বের সংকট

আলবেয়ার কাম্যু (Albert Camus, ৭ই নভেম্বর ১৯১৩–৪ঠা জানুয়ারি ১৯৬০) উত্তরাধুনিক সাহিত্যের একজন বলিষ্ঠ লেখক, ঔপন্যাসিক। সাহিত্যে যারা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন তাদের মধ্যে আলবেয়ার কাম্যু অন্যতম এবং তিনি মাত্র ৪৩ বছর বয়সে নোবেল প্রাইজ লাভ করেন। তার প্রধান সাহিত্যকর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- The Outsider (১৯৪২), The Plague (১৯৪৭), The Myth of Sisyphus ( ১৯৪২), The Fall

আলবেয়ার কাম্যু : মানবজীবনের অন্তঃসারশূন্যতা ও অস্তিত্বের সংকট Read More »

ইলিশ মাছে ত্রিশ কাটা

তখন দুপুর। লাঞ্চ টাইম। রাজধানীর হাতিরপুলের তিতুমির হোটেলের সব টেবিল খদ্দেরে পূর্ণ। টেবিলে টেবিলে খাবার যোগান দিতে ৩ জন মেসিয়ার গলদঘর্ম। ৭ নম্বর টেবিলে খদ্দেররা ভাতের খালি প্লেট নিয়া বসে আছে; ৩ নম্বর টেবিলে টেবিলে ভাত দেয়া হলেও তরকারী দেয়া হয়নি; ৯ নম্বর টেবিলে কাচ্চি দেয়া হয়েছে তো সালাদ দেয়া হয়নি; ১৪+১৩ নম্বর টেবিল এক

ইলিশ মাছে ত্রিশ কাটা Read More »

হলুদবৃত্তান্ত

হলুদবৃত্তান্ত বৃক্ষকাণ্ডের বিস্তার শাখায় শাখায় মৃত্তিকার রস পাতায় পাতায় ঐকতান নদীরাও বৃক্ষশাখা হয় জলের প্রবাহ নদীতে-শাখানদীতে ঢেউয়ে ঢেউয়ে ‘জলের গান’ কেবল মানুষের বোধিবৃক্ষের পাতায় হলুদ ছত্রাক ঝরে পড়ে অপরিপক্ক ফল। উড়াল ০৪ পিঁপড়ের উড়াল মোমের ডানায় সূর্যচুম্বন আলোকপ্রভায় পতঙ্গনাচ মেঘের রাজ্যে ঘুড়ির আনা গোনা কেবল পাখিরা জানে উড়ালের সীমা চৈতন্যে শিষ ০২ জলের কম্পন চৈতন্যের

হলুদবৃত্তান্ত Read More »

অপরিহার্য প্রস্থান

জল ও জলাশয় জলের সন্ধান পেয়ে মুখ খুলে দেয় জলাশয় শতাব্দী শতাব্দী ধরে এই জল ছুটে যায় জলাশয় অভিমুখে। প্রকরণগত গতিময়তার নাম মহাকাল। জলমগ্ন এই মহাকালের নাম ‘আমি’। ‘আমি’ একবিন্দু জল গড়িয়ে পড়ি জলাশয়ে। গ্রহ-নক্ষত্র, আকাশ-বাতাশ, মৃত্তিকাসহ একটি লাটিম-সদৃশ ঘূর্ণায়মান সকল অসুখ আমাদের দেহময় আমৃত্যু ঘুরতে থাকে। অসুখ সেরে গেলে সকল সৌর গোলকের দেহ নিজ

অপরিহার্য প্রস্থান Read More »

হে প্রিয় কুকুরগণ

ঘুনপোকা বহুদিন পর মানুষের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম দেখলাম মানুষের মুখ শত শত ভাঙন নিয়ে ছায়ার ভেতর ডুবে যাচ্ছে… টেনে তুলতেই ছিঁড়ে ছিঁড়ে এলো জীবন, সম্পর্ক ও প্রেম যার উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে অদৃশ্য ১টি ঘুনপোকা উচ্চতা চিরদিন উঁচু পাহাড়ের পথ একা হয়ে যায় পাহাড় অপেক্ষা করে, দেখে— কেউ তার দিকে এগিয়ে আসছে কিনা কারণ পাহাড়

হে প্রিয় কুকুরগণ Read More »

ইচ্ছেনদী

নিশ্চুপ ধর্ষকেরা আমাদের কাপুরুষতা খেলা করে, গ্রে ম্যাটারের ভেতর এইমাত্র উড়ে গেল, যে লোভী চিল সেও একদিন কষেছিল, দুঃসাহসিক ছক শহরে ক্লান্ত টহলদারি পুলিশেরা খোঁজে—ভুল গন্তব্য অথচ নিশ্চুপ ধর্ষকেরা পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা সাজিয়ে চলে গেল—শীত ঘুমে এখানেই কারাবাসে গড়ে তোলে, সংশোধনের শহর দুর্নাম বৃত্তান্ত বুকের মধ্যে পুষেছি, গিরিখাত— তাতে প্রতিদিন জ্বলে ওঠে,অদৃশ্য আগুন বলা হয়নি,

ইচ্ছেনদী Read More »

নৈঃশব্দে জানালা খুলে

আমি এই তো নিরিবিলি, চুপচাপ বসে আছি কোমল ঘাসে শীতের শিশির হয়ে কার্ণিসে নির্জন পাখিটির মতো আমারও প্রহর কাটে একা; অভিযোগহীন। আমি তপ্ত খরায় তৃষ্ণার্ত চোখ পেতে এক হাওয়ার বিকেলের জন্য আকুল অপেক্ষায় থাকি। আমি কোনো আনমনা ধান ক্ষেতে হাওয়া-দোল খেলি, তার বদ্ধ ডোবা জলে বুনো মাছের দলে হারাই একা। আমার সমস্ত চলাচল দিগন্তরেখার টানে;

নৈঃশব্দে জানালা খুলে Read More »

মজিদ মাহমুদের ‘মেমোরিয়াল ক্লাব’ স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক যাপন চিত্র

আশির দশকের বাংলা ভাষার শক্তিশালী কবি মজিদ মাহমুদ বহুমুখী সাহিত্য প্রতিভা! মাত্র মাত্র বাইশ-তেইশ বছর বয়সে লেখা ‘মাহফুজামঙ্গল’ কাব্যগ্রন্থ গত তিরিশ বছর ধরে জনপ্রিয়তার নিরিখে বাংলা কাব্য গ্রন্থের জগতের প্রায় মিথে পরিণত হয়েছে! তার ফলে বহুমাত্রিক লেখক মজিদ মাহমুদকে তাঁর পাঠক চিহ্নিতকরণ করেন মাহফুজামঙ্গল এর কবি হিসেবে! একজন কবিকে তাঁর কাব্যগ্রন্থ দিয়ে চিহ্নিত করণ এটি

মজিদ মাহমুদের ‘মেমোরিয়াল ক্লাব’ স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক যাপন চিত্র Read More »

ঋত্বিক ঘটক : মানুষের মুক্তির জন্য চলচ্চিত্র নির্মাণ

ঋত্বিক কুমার ঘটক ১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর ঢাকার ২নং হৃষিকেশ দাস লেনের বিখ্যাত ঝুলনবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাবা রায়বাহাদুর সুরেশচন্দ্র ঘটক অবিভক্ত বাংলার একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। রাজশাহী নগরের মিয়াঁপাড়ায় তাঁর পৈত্রিক বাড়ি। ছেলেবেলায় কিছুদিন দাদা মণীশ ঘটকের সঙ্গে কলকাতায় ছিলেন তিনি। তখন পড়াশোনা করতেন দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ রাষ্ট্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাজশাহী

ঋত্বিক ঘটক : মানুষের মুক্তির জন্য চলচ্চিত্র নির্মাণ Read More »

হো ইয়ং-জা’র কবিতা

হো ইয়ং-জা দক্ষিণ কিয়ন্সাং প্রদেশের হ্যামিয়াং শহরে ১৯৩৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি সুকমিয়ং মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ থেকে স্নাতক এবং পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি সিউলে সোংশিন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় এর কোরিয়ান ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করছেন। তাঁর অনেকগুলো কাব্যগ্রন্থ এবং নানা ধরনের সংকলনগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হচ্ছে, ‘চিনচন’

হো ইয়ং-জা’র কবিতা Read More »